ধর্ষণের ঘটনা ৩ লাখ টাকায় ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা|| এলাকায় তীব্র ক্ষোভ
গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামে কিশোরী স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা নগদ ৩ লক্ষ টাকায় রফাদফা করে ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
গত শনিবার দুপুরে চন্ডিপুর এলাকায় এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনায় স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ও জনপ্রতিনিধির ভূমিকা নিয়ে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার দুপুরে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী (১৩)। পথে প্রতিবেশী রাসেল (২৭) নামের এক যুবক তাকে কৌশলে প্রতিবেশী আমজাদ আলীর ঘরে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত রাসেল ওই গ্রামের খায়রুলের ছেলে এবং পেশায় বেকার। ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা পেশায় একজন সাধারণ মানুষ।
ধর্ষণের মতো একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ ঘটার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। তবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে তৎপর হয়ে ওঠে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী ঐ এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল ভুক্তভোগীর পরিবারকে নগদ ৩ লক্ষ টাকা প্রদান করে বিষয়টি আইন-আদালত পর্যন্ত না নিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয়।
ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধকে অর্থের বিনিময়ে মীমাংসা করার বিষয়টি জানাজানি হতেই গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঐ এলাকার কয়েকজন প্রভাবশালীর চেষ্টায় এই অনৈতিক রফাদফা সম্পন্ন হয়েছে। সাধারণ মানুষ এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং ধর্ষক রাসেলের শাস্তি চেয়েছেন।
এলাকাবাসী জানান,"একটি নিষ্পাপ মেয়ের জীবন নষ্ট করে দিয়ে কয়েক লাখ টাকায় তা ধামাচাপা দেওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা অপরাধীর কঠোর শাস্তি চাই।"
এ বিষয়ে স্থানীয় মেম্বার আবুল কালাম আজাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি জানান, এই ধর্ষণের ঘটনাটি তিনি অবগত হয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহল পুলিশ প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক, মোঃ জিল্লুর রহমান,০১৮৫৯-৬৬৭৬০২,০১৭০৭-৫০১৪১৪নি,র্বাহী সম্পাদক, মোঃ আঃ রাজ্জাক সরকার, বার্তা সম্পাদক, মোঃ রতন মন্ডল
প্রধান কার্যালয়ঃ মিরপুর ১২ ঢাকা ১২১৬,mail: jillumia87@gmail.com
Copyright © 2026 দুর্নীতির তালাশ টিম. All rights reserved.