গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ (মহিমাগঞ্জ এলাকা) এবং গোপালপুর তাঁতীপাড়া সহ বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে মাটির চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির চিত্র দেখা যায়। বনজ ও ফলদ গাছের কাঁচা কাঠ বা খড়ি বিশেষভাবে নির্মিত মাটির বা ইটের চুল্লিতে সাজিয়ে, মুখ বন্ধ করে ৭-১০ দিন ধরে পোড়ানো হয়, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।
কয়লা তৈরির প্রক্রিয়া:
চুল্লি তৈরি: মাটির নিচে বা উপরে ইটের তৈরি বিশেষ চুল্লি, যার একপাশে খড়ি ঢোকানোর ও অন্য পাশে ধোঁয়া বের হওয়ার পথ থাকে।
কাঠ সাজানো: চুল্লিতে সারিবদ্ধভাবে কাঁচা কাঠ সাজানো হয়।
পোড়ানো: কাঠ সাজানোর পর আগুন দিয়ে চুল্লির মুখ মাটি দিয়ে সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়া হয়, যাতে পর্যাপ্ত অক্সিজেন না পায়।
কয়লা উৎপাদন: ধীরগতিতে দহনের ফলে কাঠ থেকে কয়লা তৈরি হয়। সাধারণত, ১ মণ খড়ি পুড়িয়ে ৫-৬ কেজি কয়লা পাওয়া যায়।
প্রকাশক ও সম্পাদক, মোঃ জিল্লুর রহমান,০১৮৫৯-৬৬৭৬০২,০১৭০৭-৫০১৪১৪নি,র্বাহী সম্পাদক, মোঃ আঃ রাজ্জাক সরকার, বার্তা সম্পাদক, মোঃ রতন মন্ডল
প্রধান কার্যালয়ঃ মিরপুর ১২ ঢাকা ১২১৬,mail: jillumia87@gmail.com
Copyright © 2026 দুর্নীতির তালাশ টিম. All rights reserved.