গাইবান্ধায় চাঁদা না দেওয়ায় মক্কা মৃতিকালয় নামে একটি কারখানায় ঢুকে ভাংচুর, লুটপাট
রানা ইস্কান্দার রহমান।
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।
গাইবান্ধা জেলা সদরের রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের আরিখা বাসুদেবপুর গ্রামে দুই লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় মক্কা মৃতিকালয় নামে একটি মৃৎ শিল্প কারখানায় ঢুকে ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি কারখানাটির মালিক মোঃ মহিদুল ইসলাম ও কর্মচারী ফরিদুল ইসলামের ওপর হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
এ ঘটনায় কারখানাটির মালিক মহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে তেরো জনের নাম উল্লেখ সহ চার থেকে পাঁচ জন কে অজ্ঞাত করে গাইবান্ধা সদর থানায় অভিযোগ করেন। অভিযুক্তরা হলেন, গ্রামের মোঃ ওয়াহেদ মিয়ার ছেলে মোঃ রাজু মিয়া(৩১), মৃত শফিকুল ইসলাম খট্টুর ছেলে মোঃ মশিউর রহমান(২৭), মৃত মজিদ গদ্দারের ছেলে মোঃ ছানা মিয়া(৪৮), মৃত মজনু মিস্ত্রির ছেলে মোঃ ডিপটি মিয়া(৪২) ও মোঃ মইজল মিয়া(৬০) তার ছেলে মোঃ আশরাফুল ইসলাম(২৬), মৃত মজিদ শেখের ছেলে রানা মিয়া(৩৮), তার স্ত্রী মোছাঃ মারুফা বেগম(৩৮), মোঃ মফিজল শেখের ছেলে মোঃ ছায়দার আলী(২৬), মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে মোঃ শহিদুল ইসলাম (৪৫), মৃত মোস্তাজ ব্যাপারীর ছেলে মোঃ ইউনুস আলী(৫৫) ও এন্তাজুল(৬০), মোঃ মফিজল হকের ছেলে মোঃ মজিদুল ইসলাম(৩০)।
অভিযোগের বিবরনী থেকে জানা যায়, জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুঠির শিল্প সমিতি বাংলা (নাসিব) গাইবান্ধা জেলার পরিচালক ও শিল্প উদ্যোক্তা মহিদুলের বসত বাড়ীর সাথে মক্কা মৃতিকালয় নামে তার একটি মৃৎ শিল্প কারখানা রয়েছে।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে মাটির তৈরি জিনিসপত্র বাজারজাত করে আসছেন। অভিযুক্তরা তার ব্যবসায়ের উন্নতি দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে শত্রুতা পোষন করা সহ মাঝে মধ্যেই চাঁদা দাবি করে আসছে। চাঁদা না দেওয়ায় আজ(১৫ এপ্রিল) বুধবার বেলা এগারো টার দিকে লাঠি, লোহার রড সহ দেশিয় অস্ত্র নিয়ে অভিযুক্তরা কারখানা টিতে ঢুকে ভাংচুর চালায়।
এতে আনুমানিক ৩ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়। কারখানায় থাকা কর্মচারী ফরিদুল ও মালিক মহিদুল ইসলাম বাঁধা দিতে গেলে তাদের কে এলোপাতাড়ি মারপিট করা হয়। সেই সাথে কারখানাটির ক্যাশ বাক্সে থাকা নগদ ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা লুট করে নেওয়া হয়। তাদের আত্নচিৎকারে আশেপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে তাদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনাটির পর থেকে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে ভুক্তভোগীরা।
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রকাশক ও সম্পাদক, মোঃ জিল্লুর রহমান,০১৮৫৯-৬৬৭৬০২,০১৭০৭-৫০১৪১৪নি,র্বাহী সম্পাদক, মোঃ আঃ রাজ্জাক সরকার, বার্তা সম্পাদক, মোঃ রতন মন্ডল
প্রধান কার্যালয়ঃ মিরপুর ১২ ঢাকা ১২১৬,mail: jillumia87@gmail.com
Copyright © 2026 দুর্নীতির তালাশ টিম. All rights reserved.