
সিলেটের ৫আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই শক্তিশালী জোটের মাঝেও বীরের মত লড়াই করে আলোচনায় মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন)
মোঃ আব্দুর রব : সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি
সদ্য সমাপ্ত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আসনে এক অভাবনীয় লড়াই প্রত্যক্ষ করল দেশবাসী।
বড় বড় রাজনৈতিক দল এবং শক্তিশালী দুই জোটের প্রার্থীদের ভিড়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াই করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন)
যিনি রাজনৈতিক মহলে ‘চাকসু মামুন’ নামেই অধিক পরিচিত।
নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, প্রতিকূল পরিবেশ এবং দলীয় সমর্থন ছাড়াই মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন) বীরদর্পে লড়াই চালিয়ে গেছেন।
নির্বাচনী মাঠে দুই শক্তিশালী জোটের প্রার্থীরা পেশিশক্তিতে মত্ত, তখন মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন) সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে বিপুল জনসমর্থন আদায় করতে সক্ষম হন।
শেষ পর্যন্ত তিনি প্রায় ৫৫ হাজার ভোট পেয়ে নিজের শক্ত অবস্থানের জানান দিয়েছেন।
নির্বাচন পরবর্তী এক প্রতিক্রিয়ায় মামুনুর রশিদ বলেন,
”আমি শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিলাম।
৫৫ হাজার মানুষ আমাকে ভালোবেসে ভোট দিয়েছেন,
তা প্রমাণ করে আমি একজন যোগ্য প্রার্থী ছিলাম।
যদি দল আমাকে যথাযথ মূল্যায়ন করে মনোনয়ন দিত, তবে এই আসন থেকে বিজয় নিশ্চিত ছিল ৩০/৪০ হাজার অতিরিক্ত ভোট পেয়ে |
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, নিজ দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়ে এত বিশাল সংখ্যক ভোট পাওয়া কেবল ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার কারণেই সম্ভব হয়েছে।
হারলেও এই ভোটকে তিনি নৈতিক বিজয় হিসেবেই দেখছেন।
উল্লেখ্য, সিলেট-৫ আসনে এবার ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত জোটের প্রার্থীদের সাথে প্রায় সমানে সমান পাল্লা দিয়েছেন এই স্বতন্ত্র প্রার্থী।
স্থানীয় ভোটারদের মতে, দলীয় প্রতীকের চেয়ে প্রার্থীর ব্যক্তিগত ইমেজ যে নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলে, মামুনুর রশিদ তার এক বড় উদাহরণ।
হার-জিত যাই হোক, ৫৫ হাজার ভোটারের আস্থা অর্জন করে মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন) এখন সিলেটের রাজনীতিতে এক অন্যতম ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছেন।
কানাইঘাট ও জকিগঞ্জের সাধারণ মানুষ তাকে আগামী দিনের রাজনীতির এক শক্তিশালী কাণ্ডারি হিসেবেই দেখছেন।
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply