গাইবান্ধা সদর উপজেলায় নিজ বাড়িতে অমিতাভ চন্দ্র সুজন (৪০) নামে এক আইনজীবীর সহকারীকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা
রানা ইস্কান্দার রহমান।
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় নিজ বাড়িতে অমিতাভ চন্দ্র সুজন (৪০) নামে এক আইনজীবীর সহকারীকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের খামার বল্লমঝাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সুজন বল্লমঝাড় ইউনিয়নের খামার বল্লমঝাড় গ্রামের সূর্য নিরঞ্জন চন্দ্র রায়ের ছেলে। তিনি জেলা জজ আদালতের একজন আইনজীবীর সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বাবা-মা, স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার দিকে বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়ে ছিলেন সুজন। এ সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত বাড়ির গেট দিয়ে ভেতরে ঢুকে এলোপাতাড়ি মাথায় কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। গুরুতর অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে পলাশবাড়ী এলাকায় তার মৃত্যু হয়।
সুজনের পরিবার জানায়, তার সঙ্গে কারও কোনও বিরোধ বা শত্রুতা ছিল না। কে বা কারা কী কারণে তাকে হত্যা করেছে, তা জনেন না তারা।
সুজনের ভাই সুধান চন্দ্র রায় জানিয়েছেন, জমি নিয়ে ৩-৪ বছর ধরে স্থানীয় নরেশ চন্দ্রের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি নরেশ তাকে বিভিন্ন হুমকি দিয়ে আসছিলেন। তাদের ধারণা, পূর্ববিরোধের জের ধরে নরেশ পরিকল্পিতভাবে বাড়িতে ঢুকে কুড়াল দিয়ে সুজনের মাথায় আঘাত করেছেন।
বল্লমঝাড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার রহমান বলেন, ‘স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী দুর্বৃত্তরা বাড়িতে ঢুকে পেছন দিক থেকে সুজনের মাথায় কুড়াল দিয়ে কোপ দেয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।’
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মানুন বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। একটি কুড়াল উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। হত্যার কারণ উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’
প্রকাশক ও সম্পাদক, মোঃ জিল্লুর রহমান,০১৮৫৯-৬৬৭৬০২,০১৭০৭-৫০১৪১৪নি,র্বাহী সম্পাদক, মোঃ আঃ রাজ্জাক সরকার, বার্তা সম্পাদক, মোঃ রতন মন্ডল
প্রধান কার্যালয়ঃ মিরপুর ১২ ঢাকা ১২১৬,mail: jillumia87@gmail.com
Copyright © 2026 দুর্নীতির তালাশ টিম. All rights reserved.