গিদারীতে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর অভিযোগে বিস্ফোরক আইনে মামলা, আসামি ৮১ জন
রানা ইস্কান্দার রহমান।
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।
গাইবান্ধা সদর উপজেলার ১১ নং গিদারী ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও নেতাকর্মীদের মারধরের অভিযোগে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা হয়েছে। এ মামলায় ২১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলায় প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগও আনা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ অক্টোবর ২০২৬ সকাল আনুমানিক ১০টা ৫০ মিনিটে গাইবান্ধা সদর উপজেলার গিদারী ইউনিয়নের দক্ষিণ গিদারী এলাকায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় গিদারী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. মাসুদ রানা বাদী হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় মামলা করেন।
এজাহারের বর্ণনা অনুযায়ী, এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম ও সেমিনার আয়োজনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে দলীয় কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন বাদী। তাঁর অভিযোগ, একদল ব্যক্তি কার্যালয়ে প্রবেশ করে নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালান এবং কার্যালয়ের বিভিন্ন আসবাবপত্র ও দলীয় সরঞ্জাম ভাঙচুর করেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, হামলার সময় চেয়ার-টেবিল, ব্যানার, ফেস্টুন, দলীয় নেতাদের ছবি ও অন্যান্য মালামাল ভাঙচুর করা হয়। এতে আনুমানিক এক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া হামলায় লাঠি, লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে।
মামলার এজাহারে ২১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে দলবদ্ধ হয়ে কার্যালয়ে প্রবেশ, মারধর, গুরুতর জখম, ভাঙচুর ও ক্ষতিসাধনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এজাহারে কবির হোসেনসহ কয়েকজনের আহত হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, আহত কবির হোসেনকে প্রথমে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে বাদীপক্ষ জানিয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে বিস্ফোরক দ্রব্য আইন, ১৯০৮-এর ৩ ও ৪ ধারার উল্লেখ রয়েছে। মামলার এজাহারে অন্যান্য অপরাধের অভিযোগও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মামলার বাদী মো. মাসুদ রানা গিদারী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি। অন্যদিকে, ১ নং আসামী রহমান নগর কারিগরি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক।
এ বিষয়ে ২৮ অক্টোবর বিকালে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নাজমুল হুদা বলেন, এ ঘটনায় ২৬ অক্টোবর মামলা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
প্রকাশক মোঃ জিল্লুর রহমান <br>
বার্তা সম্পাদক মোঃ আলমগীর রতন মন্ডল <br>
সম্পাদক মোঃ রানা ইস্কান্দার রহমান <br>
নির্বাহী সম্পাদক মোঃ আঃ রাজ্জাক সরকার <br>
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মোঃ আঃ হালিম সরকার <br>
প্রধান কার্যালয়ঃ ঢাকা মিরপুর ১২ পল্লবী থানা পল্লবী মহল্লা মোবাইল নং <br>
01859667602
Copyright © 2026 durnitirtalashteam.com. All rights reserved.