
সন্ধান চাই ,কোথায় আছে, কেমন আছে, না অন্য কিছু করা হয়েছে,
মোছাঃ মিতু বেগম(২৫) পিতাঃ মোঃ মধু মিয়া, মাতাঃ মোছাঃ আছিয়া বেগম গ্রামঃ মধ্যম কুমেদপুর, ইউনিয়ন, বল্লামঝাড়, থানা ও জেলা গাইবান্ধা সদর, মোঃ মাসুদ মিয়া (৩০) পিতা মোঃ শামীম মিয়া, মাতাঃ মোছাঃ লুৎফা বেগম, গ্রাম রঘুনাথপুর (কামারপাড়া) ইউনিয়ন বল্লামঝাড়,জেলা ও উপজেলা গাইবান্ধ সদর এর শহীদ ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী ২০১৮ সালে রেজিস্টিকৃত ভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়, বিবাহর পর হইতেই উক্ত মাসুদ মিয়া যৌতুক এর টাকার জন্য মোছাঃ মিতু বেগম এর উপর নানাণ ভাবে অত্যাচার মার পিট এবং মানসিক চাপ দিতেই থাকে শত নির্যাতন সহ্য করিয়া মোছাঃ মিতু বেগম সংসার করিয়া আসিতে ছিলেন, সংসার করা অবস্থায় মোছাঃ মিতু বেগম ও মোঃ মাসুদ মিয়ার ঘরে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম নেয়, নাম সৌরভ (৫) পরপর দুইটি মেয়ে সন্তানের জন্ম হয় ওই সংসারে, বর্তমানে মোছাঃ মিতু বেগম চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ওই অবস্থায় মোঃ মাসুদ মিয়ার অত্যাচার আরো বেড়ে যায় দিন দিন,গত ১৫/০৬/২০০৬- ইং তারিখ আনুমানিক রাত্রি ৯ ঘটিকার সময় মাসুদ মিয়া মিতু কে মারধর এবং গালিগালাজ এবং মানসিক অত্যাচার করেন তারপর থেকে মিতু বেগম এবং তার ছেলেমেয়েকে খুঁজে পাওয়া যায় না , গত ২০/০৬/২০২৬ ইং তারিখ আনুমানিক বিকাল ৪ ঘটিকার সময় লোক মারফত মোছাঃ মিতু বেগম এর মা জানতে পারে তার মেয়ে মোছাঃ মিতু বেগম এবং মিতু বেগমের ছেলে মেয়েদেরকে মাসুদ মিয়ার বাসাতে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, উক্ত মাসুদ বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন গাইবান্ধা চক মাম রুজ পুর এলাকায়, মোছাঃ মিতু বেগমের মা আছিয়া বেগম তৎক্ষণিক কিছু লোকজন নিয়ে মাসুদের বাসায় চলে যান, যাওয়ার পরে দেখেন সেখানে তার মেয়ে এবং নাতি-নাতনী কে হই নেই, মাসুদ মিয়াকে জিজ্ঞেস করলে সে এক এক সময় এক এক কথা বলেন, সেখানে উপস্থিত ছিলেন মাসুদ মিয়ার মা ,বাবা ,ভাই বোন মোছাঃ আছিয়া বেগম তাদের জিজ্ঞেস করলে তারা আসিয়া বেগমকে বিভিন্ন ধরনের গালিগালাজ করিয়ে বাসা থেকে বের করে দেন, ওখান থেকে আছিয়া বেগম চলে আসেন লোকজন নিয়ে আসার পরে বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি করার পর এখন পর্যন্ত সন্ধান পাওয়া যায়নি, পরে একটি মিসিং ডায়েরি করেন গাইবান্ধা সদর থানায়, প্রশ্ন একটি সে কি হারিয়ে গিয়েছে, না অন্য কিছু করা হয়েছে,
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply